April 19, 2026, 4:53 pm

স্কুল ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

মো ইপাজ খাঁ প্রতিনিধি মাধবপুর( হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মাধবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র মোঃ আফরোজ হোসেনের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবিতে বুধবার (৩-ডিসেম্বর)মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও নিহত আফরোজের স্বজনেরা।
মাধবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে তারা দুপুরে মাধবপুর উপজেলার গেইট থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে আধাঘন্টাব্যাপী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন,এতে মহাসড়কের দুইপাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।পরে প্রশাসনের লোকজন আসামিদের ২৪ ঘন্টার ভিতরে গ্রেফতারের কথা বললে বিক্ষোভকারীরা মহাসড়ক ছাড়ে।
মানববন্ধন চলাকালে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মাধবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা,ছাত্র প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি,ব্যবসায়ী প্রতিনিধি প্রমুখ।

মানববন্ধনে একত্মতা প্রকাশ করে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৭-নভেম্বর)পূর্ব শত্রুতা নিয়ে উপজেলার আদাঐর ইউপির আদাঐর গ্রামের আফরোজের দাদা দুলাল মিয়ার সাথে ঝগড়া হয় প্রতিবেশী আশিক মিয়া, মাসুক মিয়া, জুরু মিয়া, সাহেদ মিয়াগংদের । এরই রেষে আফরোজ হোসেন অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে যাওয়ার পথে আশিক মিয়া মাসুক মিয়া, জুরু মিয়া ও সাহেদ মিয়া তাদের দলবল নিয়ে আফরোজ হোসেন কে অতর্কিতভাবে আক্রমণ করে।
এতে আফরোজ হোসেন মাঠিতে লুঠিয়ে পরে।
পরে আফরোজের আত্মীয় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে
প্রথমে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় ,কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ব্রাহ্মণ্যবাড়ীয়া সদর হাসপাতালে রেফার করে, সেখানে আফরোজের অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা রেফার করে। ঢাকার একটি হাসপাতালে আইসিওতে দুইদিন রাখার পর আফরোজ মৃত্যু বরণ করে।আফরোজ সৌদি প্রবাসী মোঃ মুক্তার মিয়ার ছেলে।
মামলা দায়েরের দুই দিন পরেও পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা